Friday, June 30, 2017

ফেসবুক এর মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করে ?


ফেসবুক এর মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করে ?


অনলাইনে পণ্য সেল করার জন্য একটি কার্যকরী পদ্ধতির নাম হল ইমেইল মার্কেটিং। যারা ইমেইল মার্কেটিং করে তাদের জন্য প্রতিটা লিড অনেক গুরুত্বপূর্ন। সেই ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন লিড অর্থাৎ ইমেইল । ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক লিড তৈরি করা সম্ভব।
কিভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে লিড তৈরি করা যায় তা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেওয়া হলঃ


১. ফেসবুক পোষ্টঃ
লিড তৈরির জন্য ফেসবুক পোষ্ট করার ভালো পদ্ধতি গুলোর একটি হল সরাসরি ফেসবুক পেজে ল্যান্ডিং পেজ লিঙ্ক পোষ্ট করা। তবে যখন পোষ্ট করবেন কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। আপনি যেই লিঙ্ক পোষ্ট করবেন তাতে যেন একটি ভালো ছবি থাকে যা ফেসবুক পোষ্টে ফিচারড ইমেজ হিসেবে থাকে। এছাড়া ছবিটি যেন সাইজের দিক থেকেও সঠিক সাইজের থাকে। পোস্ট করার পূর্বে আপনাকে সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে যে এই পোষ্টে ক্লিক করলে ভিজিটর কোথায় যাবে। ভিজিটর যদি ব্লগ পোষ্ট মনে করে ক্লিক করে দেখে তাকে বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে তাহলে ভিজিটর হতাশ হবে। বিভিন্ন রকম শব্দ বা বাক্য ল্যান্ডিং পেজে বা পোষ্টে উল্লেখ করতে পারেন যাতে সহজে বোঝা যায় এটি একটি ল্যান্ডিং পেজ। যেমনঃ “Download your ebook” বা “Get your cheat sheet” ইত্যাদি।


২. যেই ব্লগ পোষ্টটি বেশি লিড তৈরি করে সেটি ফেসবুকে পোষ্ট করুনঃ
লিড তৈরি করার আরেকটি সহজ মাধ্যম হল আপনার ব্লগে যেই পোষ্টটি সবচেয়ে বেশি লিড তৈরি করেছে সেই পোষ্টটি ফেসবুক পেজেও পোষ্ট করেন। পোষ্টের বিষয় যেন প্রাসঙ্গিক এবং ছোট হয় ।


৩. ইমেজ পোষ্টের ক্ষেত্রে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক যুক্ত করাঃ
আমরা সবাই জানি পোষ্টের ক্ষেত্রে সহজে দৃশ্যমান পোষ্ট গুলো বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করে। যেমনঃ ছবি এবং ভিডিও। ছবি সহ পোষ্টের এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধির সম্ভবনা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি। তাই লিড তৈরির ক্ষেত্রে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে। যেকোন আকর্ষনীয় ছবি পোষ্টের সাথে ক্যাপশনে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক ব্যবহারের মাধ্যমে লিড তৈরি করা যাবে।


৪. লিড তৈরির জন্য ভিডিও পোষ্ট করাঃ
অনলাইন মার্কেটিং –এ ভিডিও কতটা কার্যকরী তা আমরা সবাই জানি। লিড তৈরি করতেও ভিডিও বা ভিডিও মার্কেটিং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। ফেসবুক এলগরিদম ভিডিও কন্টেন্ট পছন্দ করে। তাই অন্যান্য কন্টেন্টের চেয়ে ভিডিওর organic রিচ প্রায় ১৩৫% বেশি।সুতরাং আপনি যদি চান ফেসবুক -এর মাধ্যমে লিড তৈরি করতে তাহলে অবশ্যই ভিডিওকে কাজে লাগাতে হবে। আপনি যদি কোন পণ্যের জন্য লিড তৈরি করতে চান তাহলে পণ্যের উপর একটি রিভিউ ভিডিও তৈরি করেন তারপর সেই ভিডিওর ক্যাপশনে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক দিয়ে দিন। ভিজিটরের সুবিধার্থে ভিডিওতে “নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন” এই ধরনের call to action যুক্ত করে দিতে পারেন। ভিডিও টাইটেলে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে ভুল করবেন না।


৫. ফেসবুক লাইভ ভিডিও ব্যবহার করাঃ
ফেসবুকের নতুন এবং জনপ্রিয় একটি ফিচার হল ফেসবুক লাইভ। যদিও আমাদের দেশে এর ব্যবহার সঠিকভাবে হচ্ছে না কিন্তু আমরা চাইলে ফেসবুক লাইভ ভিডিওকে মার্কেটিং এর জন্য খুব ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারি এবং এটি খুব কার্যকরী।
বিশেষ করে আমরা যখন নতুন কোন পণ্য বা সার্ভিস চালু করি এবং তার জন্য লিড তৈরি করতে চাই সেই সময় আমাদের ফলোয়ারদের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে সেই তথ্য জানাতে পারি। এর মাধ্যমে তাদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয় ও বেশি লিড পাওয়া যায়।
তাছাড়া যারা ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন বা সাবস্ক্রাইব করেছে পণ্য বা সার্ভিসকে তাদের মনে করানোর জন্যও লাইভ ভিডিও অনেক কার্যকরী। তাদের মনে করিয়ে দিলে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।


৬. লিড তৈরির পোষ্টকে পিন পোষ্ট হিসেবে রাখাঃ


আমারা প্রতিদিনই ফেসবুকে পোষ্ট করি। সে জন্য আমাদের টাইমলাইনে পুরোনো পোষ্টগুলো নিচে চলে যায়। যখন আপনি লিড তৈরির জন্য কোন পোষ্ট দিবেন তখন অবশ্যই সেই পোষ্টকে ফেসবুকে পিন পোষ্ট হিসেবে রাখবেন। এর ফলে যখনি কেউ আপনার প্রোফাইল বা পেজ ভিজিট করবে লিড তৈরির পোষ্টটি দেখবে এবং লিড বৃদ্ধি পাবে।


৭. ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করুনঃ
ফেসবুক ইভেন্টের মাধ্যমে ফেসবুক মার্কেটিং করা অনেক জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। বিশেষ করে কোন সেমিনার বা ওয়েবিনার আয়োজন করার জন্য ইভেন্ট তৈরি করা হয়। আমারা সবাই জানি যে সেমিনার বা ওয়েবিনারলিড তৈরির জন্য বা নতুন কাস্টমার তৈরির জন্য চমৎকার একটি মার্কেটিং পদ্ধতি। এছাড়া ইভেন্টের ইনভাইটের মাধ্যমে কোন অনেক তথ্য মানুষের কাছে পৌচ্ছে যায়।


৮. ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করাঃ
ব্যবসায়ের প্রসারের জন্য ফেসবুকের সবচেয়ে ভালো সার্ভিসটি হল ফেসবুক অ্যাড। এই অ্যাডের মাধ্যমে আপনি যেকোন ব্যবসায় টার্গেটেড ব্যক্তির কাছে পৌচ্ছে দিতে পারেন। বর্তমান সময়ে টার্গেটেড লিড তৈরি করতে অনেক মার্কেটার ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করছে। এটি একটি লাভজনক পদ্ধতি। কারণ অ্যাডের খরচ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম কিন্তু রেজাল্ট অনেক ভালো।

ব্যবসায় এর ক্ষেত্রে টুইটার এর ব্যবহার

ব্যবসায় এর ক্ষেত্রে টুইটার এর ব্যবহার



আমরা সবাই চাই আমাদের ব্যবসায়কে আরো লাভজনক করতে, যতটা সম্ভব উন্নয়ন করতে। সেজন্য আমরা বিভিন্ন রকম মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করি। মার্কেটিং এর জন্য একটি বড় এবং গুরুত্বপূর্ন সোশ্যাল সাইট হল টুইটার সেই টুইটারকে কাজে না লাগানোটা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই বর্তমানে অনেকে টুইটারকে বেছে নিয়েছে মার্কেটিং করার অন্যতম একটি মাধ্যম হিসেবে।


১. ব্রান্ডকে তুলে ধরুনঃ
একটি টুইটার একাউন্ট মানে কোটি মানুষের কমিনিউটিতে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ। তাই এই সুযোগকে ব্যবহার করে নিজের ব্যবসায়ের প্রচারের কাজে ব্যবহার করুন। বর্তমান সময়ে ব্রান্ড জনপ্রিয় করা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ন। টুইটারের মাধ্যমে এই কোটি কোটি মানুষের মাঝে আপনার ব্রান্ডকে তুলে ধরতে পারবেন। যদি লোকাল মার্কেট এর কথা ভাবেন, সংখ্যাতা কোটি না হলেও কিন্তু একদম কম নয়, তাই ছেড়ে দেয়া ঠিক হবে না।
ব্রান্ডকে তুলে ধরতে আপনার টুইটার একাউন্টের নাম, প্রোফাইল ফটো সব কিছুই ব্যবসায়ের অনুসারে তৈরি করুন। যদি ব্যক্তিগত ব্যান্ড প্রচার করতে চান তাহলে কাজের সাথে মিল রেখে টুইটার একাউন্ট তৈরি করুন।


২. ভিত্তি মজবুত করুনঃ
টুইটার একাউন্ট একটি ব্যবসায়ের মার্কেটিং এর ভিত্তির মত কাজ করে।আপনি এটাকে নিয়ে যত ভালো ভাবে কাজ করবেন তত মার্কেটিং মজবুত হবে। সেজন্য টুইটার প্রোফাইলের সকল ফিচার খুব সন্দর ভাবে পুরণ করুন। আপনাকে কোথায় পাওয়া যাবে, আপনি কোন কোন বিষয় গুলোর সাথে সম্পর্কিত, কোন কোন সার্ভিস সরবরাহ করেন, ওয়েব সাইটের লিঙ্ক ইত্যাদি। যাতে প্রতিটি ভিজিটর সকল প্রকার তথ্য পেতে পারে। আপনার একউন্টের সাথে যুক্ত থাকা তার প্রয়োজন মনে হয়। এর ফলে আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে, ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে এবং কাস্টমার বা গ্রাহকও বৃদ্ধিপাবে।


৩. ফলো করুনঃ
টুইটারে শুরুর দিকে বিভিন্ন একাউন্ট ফলো করবেন। এতে অনেকে আপনাকে চিনতে পারবে, জানতে পারবে। তবে ফলো করার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। সেই সব একাউন্ট ফলো করুন যারা আপনার নিশের উপর বিখ্যাত ও সুপরিচিত। এছাড়া যাদের ফলো করলে আপনার মার্কেটিং হতে পারে শুধু তাদের ফলো করুন।
কোন ধরনের একাউন্ট ফলো করবেনঃ
১। কাস্টমার বা গ্রাহকের
২। ব্যবসায়িক পার্টনার
৩। আপনার প্রতিযোগী
৪। ব্যবসায়িক সংগঠন
৫। কাছাকাছি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান
৭। আপনার ব্যবসায়ের সম্পর্কিত পরিচিত লোক


৪. সবার সাথে যোগাযোগ শুরু করুনঃ
টুইটারে প্রোফাইল পরিপূর্ন ভাবে তৈরি করার পর আপনার কাঙ্ক্ষিত কাস্টমার বা গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করা শুরু করুন। বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ করতে পারেন। টুইটারে যেকাউকে ৫ ভাবে মেসেজ দেওয়া যায়।
১। টুইটের মাধ্যমে বিভিন্ন জনকে মেসেজ করা যায়।
২। “@Reply” কারও কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে মেসেজ দেওয়া।
৩। কাউকে উল্লেখ করার মাধ্যমে
৪। সরাসরি ব্যক্তিগত ভাবে মেসেজ দেওয়া।
৫। রিটুইটের মাধ্যমে অন্যের কোন মূল্যবান তথ্য ফলোয়ারদের কাছে শেয়ার করার মাধ্যমে।


৫. স্মার্ট ভাবে যোগাযোগ করুনঃ
ফলোয়ারদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য বা নতুন ফলোয়ার তৈরি করার জন্য যখনই কারো সাথে যোগাযোগ করবেন স্মার্ট ভাবে যোগাযোগ করবে। কোন সাধারণ টুইটার ব্যবহার কারীর মত নয় আবার স্পামিং মার্কেটারের মত নয়। তাহলে প্রশ্ন আসে কিভাবে আমার সবার সাথে যোগাযোগ করা উচিত?
এক এক ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এক এক রকম হতে পারে। আপনাকে বের করতে হবে আপনার টার্গেটেড কাস্টমার বা ফলোয়াররা কি চায়, তারা আপনার কাছ থেকে কোন ধরনের বিষয় গুলো জানতে চায় বা কি জানতে পারলে তাদের উপকার হবে। সেই বিষয় গুলো নিয়ে টুইটারে পোষ্ট করুন। যতটা কোয়ালিটি সম্পন্ন টুইট বা কন্টেন্ট পোষ্ট করতে পারবেন তত বেশি ফলোয়ার বৃদ্ধি পাবে।


৬. ব্লগ এবং ওয়েবসাইটে ভিজিটর পাঠানঃ
সকল মার্কেটিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হল পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় করা। তাই মাঝে মাঝে ব্লগে বা ওয়েব সাইটের লিঙ্ক টুইট করার মাধ্যমে ভিজিটর পাঠান। যখনই কোন লিঙ্ক পোষ্ট করবেন ভালো কন্টেন্টের লিঙ্ক পোষ্ট করুন।


৭. ইমেজ টুইট করুনঃ
কন্টেন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করে যে কন্টেন্ট সেটি হলো ইমেজ। নিয়মিত ইমেজ টুইট করুন। ইমেজ টুইটের ক্ষেত্রে অবশ্যই ইমেজ সম্পর্কিত কিছু উল্লেখ করুন। ইমেজ টুইট করার ক্ষেত্রে যেসব ইমেজ আপনার ব্যবসায়ের প্রচার হবে সেই সকল ইমেজ টুইট করুন। হতে পারে পণ্যের ইমেজ, পণ্যের কার্যকারীতা সম্পর্কিত ইনফোগ্রাফিক্স, সার্ভিস প্রসেসের ইনফোগ্রাফিক্স ইত্যাদি।

কিভাবে ইন্সটাগ্রামে লোকাল ব্যবসায়ের জন্য মার্কেটিং করা যায়?

কিভাবে ইন্সটাগ্রামে লোকাল ব্যবসায়ের জন্য মার্কেটিং করা যায়?



গত ৬ বছরে ইন্সটাগ্রাম সোশ্যাল মিডিয়ার জগতে ছবি শেয়ারের জন্য একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। পৃথিবীর অন্যতম বড় ব্রান্ড গুলো যেমনঃ National Geographic , Coca-Cola ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলোও এই মাধ্যমকে ব্যবহার করছে কাস্টমার বা গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক তৈরি করার জন্য।
ইন্সটাগ্রামের সবচেয়ে চমৎকার বিষয়টি হল এটি খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং দ্রুত কাজ করা যায়। এক জরিপে দেখা গিয়েছে ফেসবুক থেকে ১৫ গুন এবং টুইটার থেকে ২০ গুন বেশি এঙ্গেজমেন্ট হয় ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে।
এত সুযোগ সুবিধা থাকায় ইন্টারনেট মার্কেটারদের জন্য ইন্সটাগ্রাম এখন মার্কেটিং এর জন্য বিশাল ক্ষেত্র। কিন্তু অনেকে মনে করে ইন্সটাগ্রাম শুধু গ্লোবাল মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার করা যায়, লোকাল  মার্কেটের জন্য নয়। এটি প্রকৃতপক্ষে ভুল ধারণা।
ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে কিভাবে লোকাল ব্যবসায়ের জন্য মার্কেটিং করা যায় তা আজ আলোচনা করবোঃ


১. Bio তে আপনার লোকেশন যুক্ত করুনঃ
ইন্সটাগ্রামে লোকাল ব্যবসায়ের মার্কেটিং এর জন্য প্রথমেই যা করতে হবে তা হল আপনার ইন্সটাগ্রাম একাউন্টের Bio ব্যবসায়ের অবস্থান অনুযায়ী তৈরি করতে হবে। ডেসক্রিপশনে আপনার শহর এবং আপনি কি সার্ভিস প্রদান করেন তা উল্লেখ্য করুন।


২. লোকাল ইমেজ পোষ্ট করুনঃ
প্রতিটি মার্কেটিং এর সফলতার একটি চাবি রয়েছে তা হল, কে আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স তা জানতে হবে। যারা লোকাল ব্যবসায়ের জন্য মার্কেটিং করে তাদের লোকাল কাস্টমারদের টার্গেট করেই সকল মার্কেটিং কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হয়।
আপনি যদি ইন্সটাগ্রামে লোকাল মার্কেটের জন্য মার্কেটিং করতে চান তাহলে বেশি বেশি লোকাল জনপ্রিয় স্থানের ছবিগুলো পোষ্ট করবেন। বিভিন্ন লোকাল ছবি গুলো দ্বারা খুব সহজে এবং দ্রুত লোকাল ইউজারদের মনোযোগ আকর্ষন করা যায়। আপনি আপনার পণ্যের সাথে সম্পর্কিত লোকাল ছবিও পোষ্ট করতে পারেন। এর মাধ্যমে কাস্টমারের মাঝে এই ধরণের বিশ্বাস জন্মে যে আপনি আপনার লোকাল এলাকা নিয়ে গর্বিত এবং আপনি বা আপনার ব্যবসায় এই এলাকারই।
এছাড়া বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো, ছবির সাথে ছবির লোকেশান যুক্ত করা, এটি হ্যাসট্যাগ এর চাইতেও বেশি কার্যকর বর্তমানে।


৩. ভিডিও পোষ্ট করুনঃ
এক রিসার্চে দেখা গেছে ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং এ ইমেজের চেয়ে ২ গুন বেশি কার্যকর হল ভিডিও। তাই আপনার উচিত এই সুযোগটিও নেওয়া। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হবে যদি এমন কোন ভিডিও প্রকাশ করতে পারেন যা আপনার লোকাল স্থানের সাথে সম্পর্কিত।


৪. স্থান কেন্দ্রিক “#” ট্যাগ গুলো ব্যবহার করুনঃ
“#” ট্যাগ হল এমন একটি মাধ্যম যার দ্বরা আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে আপনার পোস্টটি সঠিক মানুষের কাছে পৌছাবে। সে জন্য আপনার প্রতিটি পোষ্টে স্থান কেন্দ্রিক জনপ্রিয় “#” গুলো ব্যবহার করুন। আপনি চাইলে নির্দিষ্ট স্থান অনুসারেও আপনার “#” ট্যাগটি ব্যবহার করতে পারেন। যেমনঃ আপনার ব্যাবসায়ের অবস্থান ধানমন্ডি হলে আপনি #dhanmondi ব্যবহার করতে পারেন।


৫. অন্যান্য লোকাল ব্যবসায়গুলো কে ফলো করুনঃ
ইন্সটাগ্রামে যদি আপনার লোকাল এলাকার কাস্টমারদের কমিউনিটিতে সহজে প্রবেশ করতে চান তাহলে আপনার এলাকার অন্যান্য জনপ্রিয় ব্যবসায়কে ফলো করেন বা কোন উল্ল্যখযোগ্য ব্যক্তিকে ফলো করেন। তাদের সাথে এঙ্গেজ হন। এর মাধ্যমে আপনার ব্রান্ড বৃদ্ধি পাবে এবং তাদের ফলোয়ারের কাছে আপনি লক্ষ্যনীয় হয়ে উঠবেন এবং আপনার পণ্য বা সার্ভিস সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা তৈরি হবে।
যেমনঃ আপনার এলাকার কোন একটি ব্যবসায়ের বা হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির সফলতায় কমেন্টের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান, ছবিতে লাইক দিন। তাহলে তারাও আপনার আপনার ছবিতে লাইক কমেন্ট করতে ইচ্ছাবোধ করবে।যা তাদের ফলোয়ারের কাছে পৌছে যাবে।


৬. লোকাল ব্রান্ড এম্বাসেডার নিয়োগ করুনঃ
বড় বড় কোম্পানী তাদের পণ্য প্রচারের জন্য এম্বাসেডার নিয়োগ করে। আপনি আপনার পণ্যের প্রচারের জন্য কোন লোকাল জনপ্রিয় ব্যক্তিকে নিয়োগ দিন। তিনি যদি আপনার পণ্য সম্পর্কে মানুষের কাছে তুলে ধরে, আপনার পণ্যের প্রশংসা করে এবং তা ইন্সটাগ্রাম সহ অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট করেন তাহলে তা আপনার পণ্যের জন্য খুব কার্যকরী মার্কেটিং হবে।


৭. টপ কাস্টমারের ছবি প্রকাশ করুনঃ
প্রতিটি ব্যবসায়ের কিছু কিছু টপ কাস্টমার থাকে এবং কিছু কমন কাস্টমার থাকে, যারা সব সময় আপনার থেকেই পণ্য কিনে থাকেন। আপনার টপ বায়িং কাস্টমারের ছবি ইন্সটাগ্রামে পোষ্ট করুন। এর মাধ্যমে লোকাল অন্যান্য কাস্টমার উৎসাহিত হবে।


৮. সঠিক সময়ে পোষ্ট করুনঃ
লোকাল ব্যবসায়ের জন্য কোন পোষ্ট বা মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে সময়কে সর্বদা সতর্কভাবে নিতে হবে। কাস্টমারের সাথে নিজের সময় এক হওয়ার কারণে অনেকে সময়ের প্রতি সতর্ক না হয়ে ইচ্ছে মত পোষ্ট করে। যার ফলে পোষ্টে তেমন ভালো এঙ্গেজমেন্ট তৈরি হয় না। তাই প্রথমে দেখুন কোন সময়ের পোষ্টগুলোতে বেশি এঙ্গেজমেন্ট হয়, তখন পোষ্ট করুন।

ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং এ সফল হওয়ার টিপস

ইন্সটাগ্রামে সফল হওয়ার টিপস


ইন্সটাগ্রাম এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া যা খুব দ্রুত একটি টপ লেভেলের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিনত হয়েছে। এই সোশ্যাল মিডিয়াতে ফলোয়ারা এঙ্গেজও হয় অনেক দ্রুত। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রামকে ব্যবহার না করা একটি বড় ধরনের বোকামী।

ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে শুধু ইন্সটাগ্রামে পোষ্ট করলেই মার্কেটিং এ সফলতা পাওয়া যাবে না। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং করার জন্য কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা কৌশল অবলম্বন করতে হবে। ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং এ সফল হওয়ার ৫ টি গুরুত্বপূর্ন পদ্ধতি নিয়ে আজ লিখব।

অবশ্যই একটি স্ট্র্যাটেজি  অবলম্বন করুনঃ

ইন্সটাগ্রামে ব্যবহারকারীরা খুব দ্রুত পোষ্ট করে এবং ইচ্ছেমত যেকোন ছবি পোষ্ট করে। কিন্তু যখন আপনি একজন মার্কেটার আপনার পণ্য মার্কেটিং করার জন্য পোষ্ট করবেন তখন অবশ্যই প্রতিটি পোষ্ট কোন স্ট্র্যাটেজির মাধ্যমে বা কৌশল অনুসারে পোষ্ট করবেন। ভালো ফলাফল পেতে আপনার পোষ্টে সৃজনশীলতা রাখতে হবে। যাতে ফলোয়ারা আপনার সৃজনশীলতা দেখে আকৃষ্ট হতে পারে। তাহলে সেই পোষ্ট দ্রুত অন্যের কাছে পৌচ্ছে যাবে এবং এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পাবে। স্ট্র্যাটেজি অনেক ধরণের হতে পারে, যেমন- আপনি কি উদ্দেশে পোষ্ট করছেন, ব্রান্ডিং অথবা বিক্রয় মূল উদ্দেশ্য, কাদের জন্য পোষ্ট করছেন, প্রতিদিন কয়টা পোষ্ট হবে, কোন সময়ে পোষ্ট হবে, ছবির ডিজাইন কেমন হবে, মার্কেটিং কিভাবে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।

আপনার অডিয়েন্স কে জানুনঃ

ইন্সটাগ্রামের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মধ্যে একটি হল আপনার কি পোষ্ট করা উচিত। আপনি যদি জানতে চান আপনার কি পোষ্ট করা উচিত, কি পোষ্টের মাধ্যমে আপনি বেশি বেশি লাইক শেয়ার পাবেন তাহলে সর্ব প্রথম আপনার অডিয়েন্সকে চিনুন।

দেখুন কোন ফলোয়ার গুলো বেশি এঙ্গেজ হয়, কোন কন্টেন্ট গুলোতে সবচেয়ে বেশি এঙ্গেজমেন্ট হয়েছে এবং কেন হয়েছে। এই রকম সকল তথ্য গুলো বিশ্লেষণ করলে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ধরনের কন্টেন্ট আপনার শেয়ার করা উচিত।

হ্যাস(#) ট্যাগ ব্যবহার করুনঃ

হ্যাস(#) ট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক মানুষকে পোষ্ট দেখানো এবং অরগানিকভাবে অডিয়েন্স বৃদ্ধি করার একটি জনপ্রিয় এবং প্রমানিত পদ্ধতি। তাই সকল মার্কেটারই এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। হ্যাসট্যাগ ব্যবহারের আগে আপনাকে কিছু জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ সংগ্রহ করতে হবে আপনার মার্কেট/প্রোডাক্ট/সার্ভিস সম্পর্কিত।  হ্যাসট্যাগ খোজার ক্ষেত্রে যেকোন জনপ্রিয় হ্যাসট্যাগ ব্যবহার না করে আপনার কীওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেন।  সার্চের সাথে সাথে দেখতে পারবেন জনপ্রিয়তা অনুসারে হ্যাসট্যাগ গুলো। সেখান থেকে হ্যাসট্যাগ নিয়ে পোষ্টে ব্যবহার করুন।

প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণঃ

প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ করা ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন। বিশেষ করে যখন নতুন ইন্সটাগ্রামে মার্কেটিং শুরু করবেন তখন এটা করা উচিত। প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখতে হবে তা হলঃ
  • কি ধরনের ছবি বা ভিডিও প্রতিযোগিরা শেয়ার করে।
  • কোন হ্যাস(#) ট্যাগ ব্যবহার করে।
  • তারা কখন পোষ্ট করে।
  • তারা কাকে ফলো করে।
  • কিভাবে তারা তাদের ক্যাপশন তৈরি করে।
অনেকে প্রতিযোগিদের সরাসরি কপি করে যা মার্কেটিং দীর্ঘ সময়ের জন্য কোন সফলতা নিয়ে আসে না। চেষ্টা করুন তাদের কপি না করতে। তাদের থেকে ধারনা নিয়ে নিজের মত করে স্ট্রেটেজি তৈরি করতে।

এঙ্গেজমেন্টঃ

ইন্সটাগ্রামে সফল হওয়ার সবেচেয়ে গুরুত্বপূর্ন চাবি হল এঙ্গেজ থাকা। তাই আপনাকে বিভিন্ন ভাবে এঙ্গেজ থাকতে হবে। চেষ্টা করুন ফলোয়ারদের প্রতিটি কমেন্টে উত্তর দিতে। উত্তর বা সাড়া দেওয়ার মাধ্যমে ফলোয়ারদের সাথে অনেক বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করতে শুধু আপনার পোষ্টে উত্তর দিলে হবে না। বিভিন্ন টার্গেটেড ফলোয়ারদের ছবিতে কমেন্ট করতে হবে, লাইক দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে মনে রাখবেন অপ্রাসঙ্গিক কোন ছবি তে লাইক দিবেন না। তাহলে ব্রান্ড প্রচার হবে না।
এই কাজ গুলো ছোট এবং খুবই কম সময় লাগে কিন্তু এই কাজ গুলো দ্বারা অনেক এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। তাই এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য অবশ্যই করা উচিত। কারণ এঙ্গেজমেন্ট ছাড়া ইন্সটাগ্রাম কেন কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে সফল হওয়া সম্ভব নয়।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল তৈরি করবেন?

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল তৈরি করবেন?



একটি সুন্দর পরিকল্পনা মার্কেটিং এর কাজকে সহজ করে দেয় অনেক বেশি। আপনি যদি পরিকল্পনা ছাড়া কোন মার্কেটিং কার্যক্রম শুরু করেন তাহলে দেখবেন আপনার কোন না কোন ভুল হচ্ছে এবং বার বার হচ্ছে যা আপনার মার্কেটিং কার্যক্রমকে ব্যর্থ করে তুলবে।


১. লক্ষ্য নির্ধারন:


মার্কেটিং কৌশল তৈরির প্রথম পদক্ষেপ হল একটি লক্ষ্য নির্ধারন করা। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের একটি বড় সমস্যা হল কোন লক্ষ্য নির্ধারন না করে কাজ শুরু করে দেয়। একটি লক্ষ্য মানে একটি গাইড যা আপনাকে আপনার কাজে স্থির রাখবে এবং আপনাকে পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যেমনঃ আপনি এই বছর লক্ষ্য নির্ধারন করলেন আপনি আপনার ইমেইল লিস্ট ৩০০০ এ পূর্ন করবেন। তাহলে এখন সেই অনুসারে কাজ করুন কিভাবে কিভাবে ইমেইল লিস্ট বৃদ্ধি করা যায়।
প্রত্যকটি লক্ষ্য হতে হবে অবশ্যই নির্দিষ্ট। কোন রকম দ্বিধা থাকা যাবে না। যাতে সহজে কাজ করা যায়। লক্ষ্য যত সুনির্দিষ্ট হবে মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করতে তত সুবিধা হবে। মনে রাখবেন সুনির্দির্ষ্ট লক্ষ্যই একটি মার্কেটিং প্লান এর ভিত্তি।
আপনি চাইলে পূর্বের মার্কেটিং পরিকল্পনা বা কৌশল থেকেও নতুন মার্কেটিং পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে দেখুন গত বছরের লক্ষ্য কতটুকু অর্জন হয়েছে তা নির্ধারন করুন। লক্ষ্য কি ঠিকভাবে নির্ধারন হয়েছিল কি না? কোন কোন সমস্যার কারণে লক্ষ্য অর্জনে বাধা এসেছে? ইত্যাদি জেনে নতুন ভাবে লক্ষ্য নির্ধারন করুন।


২. লক্ষ্যকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুনঃ


একটি লক্ষ্যকে সহজে পরিচালনা এবং সহজতর করতে সেই লক্ষ্যটাকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করতে হয়।
যেমন- আপনি যদি লক্ষ্য নির্ধারন করেন এই বছরের মধ্যে ৩০০০ ইমেইল লিস্ট তৈরি করবেন তাহলে তাকে ছোট করুন। ফেব্রুয়ারী মাসের মধ্যে ৩০০ ইমেইল সাবস্ক্রাইবার তৈরি করুন বা সংগ্রহ করুন। ৩০০ ইমেইল সাবস্ক্রাইবার তৈরি করতে আবার কি কি করতে হবে তা পর্যায়ক্রমে আলাদা করুন।
যেমনঃ
# প্রথমে একটি ল্যান্ডিং পেইজ তৈরি করতে হবে।
# সাবস্ক্রাইবারদের দেওয়ার জন্য কোন ফ্রী প্রোডাক্ট সিলেক্ট করা যায়।
# একটি অটোমোটেড ইমেইল তৈরি করুন ক্যাম্পেইন তৈরি করতে হবে এবং সেই ইমেইল কোন কোন সময় পরপর বা কত দিন পরপর পাঠাতে হবে।
# ৬ মাসের প্রোগ্রেসের দিকে লক্ষ্য করতে হবে। ৬ মাসের মধ্যে সাবস্ক্রাইবার কেমন হয়েছে এবং আবার আন সাবস্ক্রাইব কেমন হয়েছে তা নির্ধারন করতে হবে।
অথবা
আপনি আপনার পুরুনো পরিকল্পনাকে উন্নত করুন। হয়ত বা আপনার কাছে মনে হচ্ছে পুরোনো পরিকল্পনাকে উন্নত করে কি লাভ হবে। হ্যা, তা ভালো হবে। কারণ আপনি ইতিমধ্যে অনেক কিছু জানেন। তবে প্রথমে আপনাকে পুরোনো পরিকল্পনাকে মূল্যায়ন করতে হবে। যেমনঃ
# কোন কৌশলটা আপনার ব্যবসায়ের জন্য কাজ করেছে এবং আপনার ব্যবসায়ে উন্নয়ন এনেছে?
# কোন পরিকল্পনা বা কৌশল আপনার ব্যবসায়ের জন্য সর্বোচ্চ লাভজনক হয়েছিল?
# আপনার মার্কেটিং এবং বিজ্ঞাপনের প্রতি কাস্টমারদের ফিডব্যাক কেমন?
# কোন ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল বা পরিকল্পনাটি ব্যর্থ হয়েছে?
# গত বছর আপনার ব্যবসায়ের কেমন পরিবর্তন হয়েছে?
# আপনার টার্গেট মার্কেটের কি কোন পরিবর্তন হয়েছে?
# আপনার প্রতিযোগীরা কেমন করছে?
পূর্বের পরিকল্পনা বা কৌশলের বিশ্লেষণই আপনাকে বুঝতে সাহায্য করবে কোথায় আপনার ব্যবসায় রয়েছে এবং আপনি কোথায় যেতে চান। এই সকল তথ্যগুলো আপনার শক্তি হিসেবে কাজ করবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে পরিপূর্ন ভাবে বিশ্লেষণ করুন এবং গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলো চিহ্নিত করুন।


৩. প্রয়োজনীয় টুল সিলেক্ট করুনঃ


ডিজিটাল মার্কেটিং এ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজকে সহজ করতে বিভিন্ন রকম টুলের প্রয়োজন হয়। ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল তৈরির পূর্বে সেই টুল গুলোকে নির্দিষ্ট করুন। কোন কোন টুল ব্যবহার করবেন? কোন টুল কোন কাজে ব্যবহার হবে ইত্যাদি। যেমনঃ
কন্টেন্ট হল মার্কেটিং এর প্রধান হাতিয়ার। কন্টেন্ট তৈরি করতে সময় বেশি লাগে। কোন কিছু লিখতে গেলে আমরা অনেক সময় কি লিখব তা খুজে পাই না। ফলে সময় নষ্ট হয়। এই কন্টেন্ট আইডিয়া পেতে বিভিন্ন ধরণের টুল রয়েছে। যেমনঃ whattowrite, Buzzsumo, inboundwriter ইত্যাদি। সেই টুল গুলোর মধ্য থেকে কাজের সময় কোন টুলটি ব্যবহার করবেন তা সিলেক্ট করে নিতে হবে।
আবার আপনার সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর কাজ সহজ করতে রয়েছে বিভিন্ন টুল যা আপনার পোষ্ট গুলো কে সিডিউল করতে সাহায্য করবে। এর ফলে আপনার কাজ সহজ হয়ে যাবে এবং কম সময়ে দ্রুত কাজ করা যাবে। এই ধরণের টুল গুলোকে সিলেক্ট করতে হবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য বিভিন্ন ক্যাম্পেইন করতে হয়। এই ক্যাম্পেইন গুলো সহজেই পরিচালনা করা যায় টুল দ্বারা। সেই টুল গুলোকেও নির্দিষ্ট করতে হবে। এছাড়া কীওয়ার্ড রিসার্চের জন্যও টুল নির্দিষ্ট করতে হবে।
নোটঃ বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেট ৩য় পক্ষ(টুল) ব্যবহার করা পছন্দ করে না, তাই মার্কেটে থেকে টুল ব্যবহার না করে যতটুকু কাজ করা যায় তা অবশ্যই করবেন, যা করা যাবে না তার জন্য ৩য় পক্ষ এর সাহায্য নিবেন।


৪. মার্কেটিং পরিকল্পনাকে রিফাইন করুনঃ


যখন আপনার মার্কেটিং পরিকল্পনা বা কৌশল তৈরি হয়ে যাবে তখন তা একবার রিফাইন করে নিবেন। যে টুল গুলো নির্দিষ্ট করেছেন সেই টুল গুলোও আবার নির্দিষ্ট করুন। গুরুত্বপূর্ন বিষয় গুলোর দিকে বেশি বেশি লক্ষ্য রাখুন। যেমনঃ দেখুন কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে কি সোশ্যাল পোষ্টকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে নাকি ব্লগ লেখাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আপনার ব্লগে কেমন পোষ্ট রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী কত পোষ্ট করা উচিত। সোশ্যাল মিডিয়াতে দিনে কতবার পোষ্ট করবেন, একবার নাকি তিন বার? আপনার টার্গেট অডিয়েন্স কি জানতে চায়? তাদেরকে কিভাবে তথ্য প্রদান করবেন? ইনফোগ্রাফিক্স, ব্লগ পোষ্ট নাকি ইবুক?
ব্রান্ডিং এর জন্য কিভাবে কাজ করবেন?আপনার প্রতিযোগী কি অনেক বেশি? ব্রান্ডিং এর উপর কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া উচিত এবং কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়িক ব্রান্ড এর সাথে সাথে কি ব্যক্তিক ব্রান্ড এর দিকে নজর দেয়া উচিত ?
আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং পরিকল্পনা কি আপনার লক্ষ্যকে অর্জন করতে উপযুক্ত? ইত্যাদি প্রশ্নের মাধ্যমে আপনার পরিকল্পনাটিকে রিফাইন করে নিন।


৫. মার্কেটিং প্লান কে ফাইনাল করুনঃ


ডিজিটাল মার্কেটিং কৌশল বা পরিকল্পনা তৈরির সর্বশেষ ধাপ হল এটি। এই ক্ষেত্রে আপনি দেখবেন আপনার পরিকল্পনার কয়েকটি বিষয়।
# আপনার লক্ষ্য কি নির্ধারন করা হয়েছে?
# আপনি আপনার টার্গেট মার্কেট কি জানেন?
# কোন ধরণের মানুষ আপনার কাস্টমার এবং তারা কি চায়?
# কিভাবে আপনার ব্রান্ড সকল প্রতিযোগী থেকে এগিয়ে থাকবে?
# কিভাবে আপনি আপনার কাস্টমারকে আকর্ষিত করবেন?
# কিভাবে আপনার সাথে আপনার কাস্টমারকে যুক্ত করবে?
# কন্টেন্ট মার্কেটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জন্য আপনি কি কি করছেন?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার মার্কেটিং পরিকল্পনাকে ফাইনাল করতে পারবেন। আপনি বুঝতে পারবেন আপনার মার্কেটিং পরিকল্পনা সঠিক ভাবে তৈরি হয়েছে কি না।
যেহেতু একটি পরিকল্পনা ডিজিটাল মার্কেটিং এর সফলতার পূর্বশর্ত সেহেতু কোন সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না।

৫ ধরণের ইমেইল যা সাবস্ক্রাইবারকে ওয়েবসাইট ভিজিট করতে উৎসাহিত করে

৫ ধরণের ইমেইল যা সাবস্ক্রাইবারকে ওয়েবসাইট ভিজিট করতে উৎসাহিত করে



ইমেইল মার্কেটিংকে বলা হয় ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে লাভজনক মার্কেটিং পদ্ধতি। কারণ এটি এমন একটি মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে কাস্টমারদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যায়। তাদের কাছে পণ্য পৌছানো যায়।


কিন্তু আপনি যদি যেকোন ইমেইল পাঠান তাহলে লাভ করতে পারবেন না বরং ক্ষতি হবে।। অনেকের কিছু অভিযোগ থাকে যে তারা ইমেইল পাঠায় কিন্তু কোন লিড বা ভিজিটর পায় না। ইমেইল মার্কেটিং এ কিছু ট্রিক্স আছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সাবস্ক্রাইবারকে সহজে ওয়েবসাইটে বা ল্যান্ডিং পেইজে পাঠাতে পারবেন। তাদের মাঝে আপনার প্রতি, আপনার অফার বা পণ্যের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারবেন। তেমন ৫ ধরনের ইমেইল নিয়ে কথা বলবোঃ


১. কোন বিশেষ অফার প্রদান করুনঃ  


যখন কোন পরিচিত ফ্রেন্ড, আত্মীয় এমনকি অপরিচিত কেউও আমাদের বিশেষ কোন অফার দিয়ে থাকে তখন আমাদের সবসময়ই ভালো লাগে। আপনি আপনার সাবস্ক্রাইবারের কাছে পরিচিত একজন। আপনি যদি সাবস্ক্রাইবারকে মাঝে মাঝে বিশেষ কিছু প্রদান করেন তাহলে তারা আনন্দিত হবে। তারা আপনাকে নিয়ে কিছু সময় হলেও চিন্তা করবে এবং আপনাকে সহজে গ্রহন করবে। আপনি তাদের কাছে বেশি বিশ্বাষযোগ্য হবেন।
কিন্তও আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে আমি কি অফার করতে পারি?
তার উত্তর হলো, আপনি যদি কোন সার্ভিস প্রদান করেন তাহলে সাবস্ক্রাইবারদের বিশেষ টিপস এর জন্য লাইভ ওয়েবিনা্রে অংশগ্রহন করার সুযোগ দিতে পারেন অথবা তাদের আপনার টিপস এর কোন পিডিএফ বুক দিতে পারেন। আবার আপনি যদি কোন পণ্য বিক্রয় করেন তাহলে সেই পণ্যে ডিস্কাউন্টের অফার বা ফ্রী সেম্পল এর অফার দিয়ে ইমেইল পাঠাতে পারেন। এই ধরণের অফার সাবস্ক্রাইবাররা আনন্দের সাথে গ্রহন করবে এবং আপনার সাথে সম্পর্ক তৈরি হবে।


২. মাঝে মাঝে গিফট পাঠানঃ


সাবস্ক্রাইবাররা হল আপনার সম্পদসরূপ। সেই সম্পদকে সর্বদা মূল্যায়ন করার চেষ্টা করুন। সে জন্য তাদের মূল্যায়ন করতে মাঝে মাঝে গিফট দিয়ে ইমেইল পাঠান। তাদের জন্য আপনি যেই কন্টেন্টই তৈরি করেন তা আপনার সাবস্ক্রাইবারদের কাছে পৌছে দিন। তাদের সুবিধার্থে বিভিন্ন ভাবে ইমেইল পাঠাতে পারেন। যেমনঃ যদি আপনি কোন একটি আর্টিকেল লিখেন তাহলে তার পিডিএফ, অডিও বা ভিডিও তৈরি করুন। অর্থাৎ একটি কন্টেন্টের একাধিক ভার্শন তৈরি করুন এবং সাবস্ক্রাইবারকে পাঠান। সাবস্ক্রাইবারের কাছে যেই ভার্শন ভালো লাগে তারা সেই ভার্শন গ্রহন করবে। এগুলো তাদের কাছে গিফট হিসেবে গ্রহনযোগ্য হবে।


৩. শর্ট মেসেজ কিন্তু ইন্টাররেস্টিং ইমেইল পাঠানঃ


একজন সাবস্ক্রাইবার প্রতিদিন অনেক ইমেইল পেয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানী, ফ্রেন্ড, রিলেটিভ ইত্যাদি ইমেইল পাঠায়। তাই আপনি যখন কোন ইমেইল পাঠাবেন সেই ইমেইল যেন শর্ট এবং ইন্টারেস্টিং হয়। আপনার সাবস্ক্রাইবার যেন বিরক্ত না হয় । অন্যথায় আপনি সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। আর যত ইন্টারেস্টিং ইমেল পাঠাতে পারবেন আপনার লিঙ্ক বা ওয়েবসাইট ভিজিট করতে ততটাই ইচ্ছা তৈরি হবে।


৪. সাবস্ক্রাইবারের সাথে বন্ধুত্বঃ


প্রত্যেকটি ইমেইল মার্কেটারের একটি লক্ষ্য থাকা উচিত তা হল তার সাবস্ক্রাইবারের সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক তৈরি করা। যদিও এটি কঠিন কারণ তাদের সাথে শুধুমাত্র ইমেইলের মাধ্যমেই সম্পর্ক এবং তারা মনে করে এই সম্পর্ক শুধু ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে । আপনি তাদের বিভিন্ন ভাবে সুবিধা দিলেও তাদের মাঝে এই ধরণের মনোভাব থেকেই যায়। তাই আপনি আপনার সাবস্ক্রাইবারদের সাথে সম্পর্ক আরো মজবুত করতে তাদের কে বিভিন্ন কাজের অফার দিতে পারেন। যেমনঃ যদি আপনার ব্লগের রাইটারের প্রয়োজন হয় তাদের রাইটার নিয়োগের অফার দিন, আবার যদি কোন মার্কেটার প্রয়োজন হয় তাহলে তাদের ইমেইল করুন। তাদের ইন্টারভিউর জন্য আমন্ত্রন করুন। আপনি তাদের বুঝতে দিন যে আপনি তাদের কাছের মনে করছেন, এবং প্রাধান্য দিচ্ছেন । যদি কেউ সাড়া নাও দেয় তারপরও তাদের সাথে আপনার সম্পর্ক আরো মজবুত হবে। এই পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পর্ক মজবুতের সাথে সাথে আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে তারা অনেক উৎসাহবোধ করবে।


৫. বড় ইভেন্টের পূর্বে প্রিভিউ প্রকাশ করুনঃ


একটা বিষয় আমরা সবাই লক্ষ্য করি তা হল টেলিভিশনের প্রায় সকল জনপ্রিয় প্রোগ্রাম গুলো তাদের পরবর্তী পর্বের জন্য প্রিভিউ প্রকাশ করে। এই প্রিভিউ মানুষের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করে এবং পরবর্তী পর্ব দেখার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। বড় বড় ইমেল মার্কেটাররা এই কাজটি করে। তাদের বড় ইভেন্টের জন্য একটি প্রিভিউ তৈরি করে এবং সেই প্রিভিউ সাবস্ক্রাইবারদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়। এই পদ্ধতিটি সাবস্ক্রাইবারদের ওয়েবসাইটে আকর্ষন বৃদ্ধি করে।

ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য কিভাবে একটি ইমেইল তৈরি করতে হয়?

ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য কিভাবে একটি ইমেইল তৈরি করতে হয়?


ইমেইল মার্কেটিং এমন একটি মার্কেটিং পদ্ধতি যার মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় করা অনেক সহজ। তবে আপনি যদি ভালো ভাবে ইমেইল তৈরি করতে না পারেন তাহলে সেই পরিমান সাফল্য পাবেন না। আপনার যত ভালো ইমেইল লিস্ট থাকুক না কেন অবশ্যই ইমেইলটিতে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় থাকতে হবে। সেই বিষয়গুলো ছাড়া ইমেইলটি পরিপূর্ণ হয় না।


১. আকর্ষনীয় সাবজেক্ট লাইনঃ


আপনি যদি অনেক ভালো ইমেইল তৈরি করেনও তারপরও আপনার ইমেইলটি সফলতা পাবে না যদি না একটি ভালো সাবজেক্ট লাইন না থাকে। কারণ সাবজেক্ট লাইনটি প্রথম প্রদশিত হয়। তাই সর্বপ্রথম সাবজেক্ট লাইনটিতে গুরুত্ব দিতে হবে । একটি ভালো সাবজেক্ট লাইন লিখতে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় মাথায় রাখতে হয়।


~ সাবজেক্ট লাইনটি ছোট হতে হবেঃ
ইমেইল এর ক্ষেত্রে বড় লাইন পড়তে সময় লাগে তাই মানুষ স্বভাবত একটু এড়িয়ে যেতে চায়। আবার এমন ছোট যেন না হয় যা দিয়ে পরিষ্কার কোন ধারনা পাওয়া না যায়।
~ সতর্কতার সাথে শব্দ সিলেক্ট করুনঃ
সাবজেক্ট লাইন লিখতে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করুন । অপ্রয়োজনীয় কোন শব্দ ব্যবহার করবেন না। যেই শব্দ গুলো ব্যবহার করলে অল্প কথায় সম্পূর্ন অর্থ প্রকাশ পাবে তেমন শব্দ ব্যবহার করার চেস্টা করুন।
~ লাভ বা সুবিধা দেখানঃ
সাবজেক্ট লাইনটি এমন করার চেষ্টা করুন যার মাধ্যমে কাস্টমার বা গ্রহক তার লাভ বা সুবিধা দেখতে পারবে।


২. Call-To-Action:


মার্কেটিং এর জন্য যদি কোন ইমেইল ব্যবহার করেন এবং তার মধ্যে Call-To-Action ব্যবহার না করেন তাহলে সেই ইমেইল আর মার্কেটিং এর ইমেইল থাকে না। সেটি হয়ে যায় একটি অতি সাধারন ইমেইল। সাবজেক্ট লাইনের মত Call-To-Action ও এমন ভাবে ব্যবহার করতে হবে যার মাধ্যমে গ্রাহক বা কাস্টমার তার লাভ বা সুবিধা খুজে পায়। তাহলেই সে আপনার Call-To-Action অনুসরন করবে। অবশ্যই এটি সংক্ষিপ্ত হতে হবে। পাঠকদের এমন কিছু অনুভব করাতে চেষ্টা করুন যার মাধ্যমে তারা মনে করে এই লিঙ্কে ক্লিক না করলে তারা কিছু পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে। তাহলেই আপনার ইমেইলের ক্লিক বাড়বে আর আপনার বিক্রয়।


৩. মোবাইলের উপযুক্ত করে ইমেইল তৈরি করুনঃ


মোবাইলের উন্নয়নের ফলে এখন জরুরী ইমেইল যখন তখন দেখার জন্য মানুষ মোবাইলকে ব্যবহার করে। এখন প্রায় ৭০ ভাগের বেশি ইমেইল মোবাইলের মাধ্যমে দেখা হয়। তাই যদি আপনার ইমেইলটি রেস্পন্সিব না হয় তাহলে আপনি অনেক কাস্টমার হারাবেন। সে জন্য আপনাকে ইমেইলটি এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যেন ইমেইলটি যেকোন সাইজের স্মার্ট ফোনে পরিষ্কার ভাবে দেখা যায়। এছাড়া চেস্টা করবেন ইমেইলে ছোট সাইজের ছবি ব্যবহার করতে। যাতে সহজে ইমেইল লোড হয়। কারণ বেশি সময় নিয়ে লোড হওয়া ইমেইল গুলো অনেক কাস্টমার হারায়।


৪. স্প্লিট টেস্ট করুনঃ


ইমেইল মার্কেটিং এ সফলতা পাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ন পদক্ষেপ হল ইমেইলের স্প্লিট টেস্ট করা। হতে পারে স্প্লিট টেস্ট কথাটি আপনার কাছে নতুন কিন্তু এটি ইমেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
ইমেইল পাঠানোর পূর্বে আপনি আপনার ইমেইলকে কয়েকটি ফরমেটে তৈরি করবেন। তারপর সেই ইমেইলকে আলাদা ভাবে কিছু কিছু ইমেইলে পাঠাবেন। যেই ইমেইলটির মাধ্যমে সব চেয়ে ভালো ফলাফল পাবেন সেই ইমেইলটি সম্পূর্ন মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার করবেন। এই টেস্ট ইমেইলে ব্যবহার করতে পারেন ভিন্ন ভিন্ন সাবজেক্ট লাইন, Call-To-Action, ছবি, হেডলাইন ইত্যাদি।


৫. ব্যক্তিত্বকে অনুভব করাঃ


একটি ইমেইল তৈরি করার আগে আপনি যদি আপনার সাবস্ক্রাইবারদের ব্যক্তিত্বকে বুঝতে পারেন, ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দিতে পারেন তাহলে আপনার ইমেইলের সফলতার ভাগ অনেক বৃদ্ধি পাবে। সে জন্য ইমেইল তৈরির পূর্বে আপনার জানা উচিত কারা আপনার সাবস্ক্রাইবার, তারা কোথায় থাকেন, তাদের আগ্রহ ইত্যাদি। আপনি যদি এই বিষয়গুলো মেনে একটি ইমেইল তৈরি করতে পারেন তা তাদের অনূভুতিকে ছুতে পারবে যার ফলে সাবস্ক্রাইবার আপনার ইমেইলটি এড়িয়ে যেতে পারবে না । যেমন আমেরিকার জন্য কোন ইমেইল তৈরি করতে তাদের সংস্কৃতির সাথে যুক্ত বিভিন্ন বিষয় যা আপনার সাবস্ক্রাইবারা পছন্দ করে তা উল্লেখ করতে পারেন। আবার আপনি চাইলে কাস্টমার্দের পূর্ববর্তী ক্রয় বিক্রয় এর উপর ভিত্তি করে তাদের আচরণ বুঝে ইমেইল তৈরি করতে পারেন। সে জন্য ইমেইলটি এমন ভাবেই তৈরি করুন যার মাধ্যমে সাবস্ক্রাইবারের ব্যক্তিত্বের সাথে যুক্ত হওয়া যায়।

ফেসবুক এর মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করে ?

ফেসবুক এর মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করে ? অনলাইনে পণ্য সেল করার জন্য একটি কার্যকরী পদ্ধতির নাম হল ইমেইল মার্কেটিং। যারা ইমেইল মার্কেটি...