ফেসবুক এর মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করে ?
অনলাইনে পণ্য সেল করার জন্য একটি কার্যকরী পদ্ধতির নাম হল ইমেইল মার্কেটিং। যারা ইমেইল মার্কেটিং করে তাদের জন্য প্রতিটা লিড অনেক গুরুত্বপূর্ন। সেই ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন লিড অর্থাৎ ইমেইল । ফেসবুকের মাধ্যমে অনেক লিড তৈরি করা সম্ভব।
কিভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে লিড তৈরি করা যায় তা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেওয়া হলঃ
কিভাবে ফেসবুকের মাধ্যমে লিড তৈরি করা যায় তা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য দেওয়া হলঃ
১. ফেসবুক পোষ্টঃ
লিড তৈরির জন্য ফেসবুক পোষ্ট করার ভালো পদ্ধতি গুলোর একটি হল সরাসরি ফেসবুক পেজে ল্যান্ডিং পেজ লিঙ্ক পোষ্ট করা। তবে যখন পোষ্ট করবেন কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। আপনি যেই লিঙ্ক পোষ্ট করবেন তাতে যেন একটি ভালো ছবি থাকে যা ফেসবুক পোষ্টে ফিচারড ইমেজ হিসেবে থাকে। এছাড়া ছবিটি যেন সাইজের দিক থেকেও সঠিক সাইজের থাকে। পোস্ট করার পূর্বে আপনাকে সঠিকভাবে উল্লেখ করতে হবে যে এই পোষ্টে ক্লিক করলে ভিজিটর কোথায় যাবে। ভিজিটর যদি ব্লগ পোষ্ট মনে করে ক্লিক করে দেখে তাকে বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে তাহলে ভিজিটর হতাশ হবে। বিভিন্ন রকম শব্দ বা বাক্য ল্যান্ডিং পেজে বা পোষ্টে উল্লেখ করতে পারেন যাতে সহজে বোঝা যায় এটি একটি ল্যান্ডিং পেজ। যেমনঃ “Download your ebook” বা “Get your cheat sheet” ইত্যাদি।
২. যেই ব্লগ পোষ্টটি বেশি লিড তৈরি করে সেটি ফেসবুকে পোষ্ট করুনঃ
লিড তৈরি করার আরেকটি সহজ মাধ্যম হল আপনার ব্লগে যেই পোষ্টটি সবচেয়ে বেশি লিড তৈরি করেছে সেই পোষ্টটি ফেসবুক পেজেও পোষ্ট করেন। পোষ্টের বিষয় যেন প্রাসঙ্গিক এবং ছোট হয় ।
৩. ইমেজ পোষ্টের ক্ষেত্রে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক যুক্ত করাঃ
আমরা সবাই জানি পোষ্টের ক্ষেত্রে সহজে দৃশ্যমান পোষ্ট গুলো বেশি এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি করে। যেমনঃ ছবি এবং ভিডিও। ছবি সহ পোষ্টের এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধির সম্ভবনা প্রায় দ্বিগুনেরও বেশি। তাই লিড তৈরির ক্ষেত্রে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে হবে। যেকোন আকর্ষনীয় ছবি পোষ্টের সাথে ক্যাপশনে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক ব্যবহারের মাধ্যমে লিড তৈরি করা যাবে।
৪. লিড তৈরির জন্য ভিডিও পোষ্ট করাঃ
অনলাইন মার্কেটিং –এ ভিডিও কতটা কার্যকরী তা আমরা সবাই জানি। লিড তৈরি করতেও ভিডিও বা ভিডিও মার্কেটিং অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। ফেসবুক এলগরিদম ভিডিও কন্টেন্ট পছন্দ করে। তাই অন্যান্য কন্টেন্টের চেয়ে ভিডিওর organic রিচ প্রায় ১৩৫% বেশি।সুতরাং আপনি যদি চান ফেসবুক -এর মাধ্যমে লিড তৈরি করতে তাহলে অবশ্যই ভিডিওকে কাজে লাগাতে হবে। আপনি যদি কোন পণ্যের জন্য লিড তৈরি করতে চান তাহলে পণ্যের উপর একটি রিভিউ ভিডিও তৈরি করেন তারপর সেই ভিডিওর ক্যাপশনে ল্যান্ডিং পেজের লিঙ্ক দিয়ে দিন। ভিজিটরের সুবিধার্থে ভিডিওতে “নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন” এই ধরনের call to action যুক্ত করে দিতে পারেন। ভিডিও টাইটেলে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে ভুল করবেন না।
৫. ফেসবুক লাইভ ভিডিও ব্যবহার করাঃ
ফেসবুকের নতুন এবং জনপ্রিয় একটি ফিচার হল ফেসবুক লাইভ। যদিও আমাদের দেশে এর ব্যবহার সঠিকভাবে হচ্ছে না কিন্তু আমরা চাইলে ফেসবুক লাইভ ভিডিওকে মার্কেটিং এর জন্য খুব ভালো ভাবে ব্যবহার করতে পারি এবং এটি খুব কার্যকরী।
বিশেষ করে আমরা যখন নতুন কোন পণ্য বা সার্ভিস চালু করি এবং তার জন্য লিড তৈরি করতে চাই সেই সময় আমাদের ফলোয়ারদের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে সেই তথ্য জানাতে পারি। এর মাধ্যমে তাদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয় ও বেশি লিড পাওয়া যায়।
তাছাড়া যারা ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন বা সাবস্ক্রাইব করেছে পণ্য বা সার্ভিসকে তাদের মনে করানোর জন্যও লাইভ ভিডিও অনেক কার্যকরী। তাদের মনে করিয়ে দিলে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
বিশেষ করে আমরা যখন নতুন কোন পণ্য বা সার্ভিস চালু করি এবং তার জন্য লিড তৈরি করতে চাই সেই সময় আমাদের ফলোয়ারদের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে সেই তথ্য জানাতে পারি। এর মাধ্যমে তাদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি হয় ও বেশি লিড পাওয়া যায়।
তাছাড়া যারা ইতিমধ্যে রেজিস্ট্রেশন বা সাবস্ক্রাইব করেছে পণ্য বা সার্ভিসকে তাদের মনে করানোর জন্যও লাইভ ভিডিও অনেক কার্যকরী। তাদের মনে করিয়ে দিলে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
৬. লিড তৈরির পোষ্টকে পিন পোষ্ট হিসেবে রাখাঃ
আমারা প্রতিদিনই ফেসবুকে পোষ্ট করি। সে জন্য আমাদের টাইমলাইনে পুরোনো পোষ্টগুলো নিচে চলে যায়। যখন আপনি লিড তৈরির জন্য কোন পোষ্ট দিবেন তখন অবশ্যই সেই পোষ্টকে ফেসবুকে পিন পোষ্ট হিসেবে রাখবেন। এর ফলে যখনি কেউ আপনার প্রোফাইল বা পেজ ভিজিট করবে লিড তৈরির পোষ্টটি দেখবে এবং লিড বৃদ্ধি পাবে।
৭. ফেসবুক ইভেন্ট তৈরি করুনঃ
ফেসবুক ইভেন্টের মাধ্যমে ফেসবুক মার্কেটিং করা অনেক জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। বিশেষ করে কোন সেমিনার বা ওয়েবিনার আয়োজন করার জন্য ইভেন্ট তৈরি করা হয়। আমারা সবাই জানি যে সেমিনার বা ওয়েবিনারলিড তৈরির জন্য বা নতুন কাস্টমার তৈরির জন্য চমৎকার একটি মার্কেটিং পদ্ধতি। এছাড়া ইভেন্টের ইনভাইটের মাধ্যমে কোন অনেক তথ্য মানুষের কাছে পৌচ্ছে যায়।
৮. ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করাঃ
ব্যবসায়ের প্রসারের জন্য ফেসবুকের সবচেয়ে ভালো সার্ভিসটি হল ফেসবুক অ্যাড। এই অ্যাডের মাধ্যমে আপনি যেকোন ব্যবসায় টার্গেটেড ব্যক্তির কাছে পৌচ্ছে দিতে পারেন। বর্তমান সময়ে টার্গেটেড লিড তৈরি করতে অনেক মার্কেটার ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করছে। এটি একটি লাভজনক পদ্ধতি। কারণ অ্যাডের খরচ তুলনামূলক ভাবে অনেক কম কিন্তু রেজাল্ট অনেক ভালো।
If the visitor is already subscribed to your channel, they will not see this subscription box, but will see you channel as they normally would.